ল্লী বিদ্যুৎ সমিতির আইন অনুযায়ী গ্রাহকদের ভোটে নির্বাচিত প্রতিনিধি দিয়ে বোর্ড গঠনের বিধান থাকলেও তা মানা হচ্ছে না বলে অভিযোগ উঠেছে। উচ্চ আদালতে মামলা বিচারাধীন থাকা সত্ত্বেও কয়েকটি সমিতিতে বোর্ড গঠনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এসব কার্যক্রম স্থগিত রাখার আবেদন জানিয়ে পবিস সভাপতিরা সংশ্লিষ্ট দপ্তরে চিঠি দিয়েছেন।
এরই ধারাবাহিকতায় গতকাল সোমবার ঢাকা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-২-এর সভাপতি ইমেইল ও হোয়াটসঅ্যাপে জেনারেল ম্যানেজারের কাছে চিঠি পাঠান। চিঠিতে উল্লেখ করা হয়, রিট মামলার চূড়ান্ত নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত বোর্ড গঠনের সব ধরনের উদ্যোগ স্থগিত রাখা প্রয়োজন। আর রিট কারীদের আইনজীবীর সতর্কবার্তা আদালতের আদেশ অমান্য করে বোর্ড গঠনের চেষ্টা করা হলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
আদালত সূত্র জানায়, পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির গ্রাহকদের ভোটে নির্বাচিত প্রতিনিধির মাধ্যমে বোর্ড গঠনের দাবি জানিয়ে উচ্চ আদালতে রিট আবেদন করা হয়েছে। আইন অনুযায়ী নির্বাচিত প্রতিনিধিদের মাধ্যমেই বোর্ড গঠনের বিধান রয়েছে। কিন্তু শূন্য থাকা এলাকা পরিচালক পদগুলোতে নির্বাচন আয়োজন না করে কিছু সমিতিতে বোর্ড গঠনের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে, যা বিদ্যমান আইনি কাঠামোর পরিপন্থী বলে দাবি করা হয়েছে।
এ বিষয়ে বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট-এর হাইকোর্ট বিভাগে রিট পিটিশন দায়ের করা হয়েছে। রিটের প্রাথমিক শুনানি শেষে আদালত রুল নিশি জারি করেন। গত ১৪ জানুয়ারি জারি করা ওই রুল বর্তমানে বিচারাধীন রয়েছে। পরবর্তীতে ২২ ফেব্রুয়ারি পুনরায় স্থগিতাদেশের আবেদন করা হয়েছে, যা শুনানির অপেক্ষায় আছে।
রিটকারীদের আইনজীবী সৈয়দ ফজলে এলাহি অভি বলেন, রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত নতুন করে বোর্ড গঠনের কোনো সুযোগ নেই। আদালতের আদেশ অমান্য করে বোর্ড গঠনের চেষ্টা করা হলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
আবেদনকারীরা রিটের চূড়ান্ত নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত সব ধরনের বোর্ড গঠন কার্যক্রম অবিলম্বে স্থগিত রাখার আহ্বান জানিয়েছেন।
মন্তব্য করুন