ঢাকার নবাবগঞ্জের শোল্লা ইউনিয়ন বিএনপির সদস্য সচিব সাইফুল ইসলাম শিমুল ও তার শাশুড়ির উপর হামলার প্রতিবাদে এবং ঘটনার সাথে জড়িত আসামীদের গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল ও মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার বিকালে উপজেলার দুধঘাটায় এলাকায় ঘন্টাব্যাপী মানববন্ধনে আহতদের পরিবারসহ ৫শতাধিক মানুষ অংশগ্রহণ করেন।
মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, শিমুলের মত বিএনপির ত্যাগী নেতাকে গত ১১ তারিখ প্রকাশ্যে কুপিয়ে ও পিটিয়ে হত্যার চেষ্টা করেন দুর্বৃত্তরা। তবে দুঃখের বিষয় ঘটনার এতদিন অতিবাহিত হলেও একজন আসামীকে পুলিশ গ্রেপ্তার করতে পারেনি। দিনদুপুরে হামলা করেও সন্ত্রাসীরা এলাকায় ঘুরে বেড়াচ্ছেন। এসময় তারা ঢাকা-১ আসনের সংসদ সদস্য খন্দকার আবু আশফাক ও আইনশৃঙ্খলাবাহিনীর সুদৃষ্টি কামনা করেন। দ্রুত আসামীদের গ্রেপ্তার করা না হলে বড় ধরনের কর্মসূচির ডাক দেওয়ার হুশিয়ারি দেন এলাকাবাসী। মানববন্ধনকারীদের অভিযোগ স্থানীয় আব্দুল আজিজ, আব্দুল হাই, কাজী শহিদুল্লা ও ইউনুস আলীর নেতৃত্বে আতিকুর রহমান, সিফাত, সজিব, সোহাগসহ ৩০/৩৫জন দুর্বৃত্তরা এ হামলায় অংশ নেন।
আহত বিএনপির নেতা শিমুলের বাবা এম এ রাজ্জাক বলেন, ওরা হত্যার উদ্দেশ্যেই আমার ছেলে ও তার শাশুড়ির উপর পরিকল্পিতভাবে হামলা করেছে। কিন্ত পরিতাপের বিষয় এখনো কোনো আসামী গ্রেপ্তার করতে পারেনি পুলিশ। এ প্রশাসনকে অনুরোধ করবো দ্রুত আসামীদের গ্রেপ্তার করে আইনের আওত্বায় আনা হোক। এসময় দোষীদের কঠিন শাস্তি দাবি করেন তিনি।
মানববন্ধন শেষে এলাকাবাসী একটি বিক্ষোভ মিছিল বের করে বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে দক্ষিণ জামশা গিয়ে শেষ হয়।
জানা যায়, একটি মাদ্রাসা ও ঈদগাহ’র কমিটি নিয়ে বিরোধের জেরে গত ১১ এপ্রিল সকালে নবাবগঞ্জ-সিংগাইর উপজেলার সীমান্তবর্তী দক্ষিণ জামসা গাজী চেয়ারম্যানের বাড়ি সংলগ্ন তিন রাস্তা মোড়ে সাইফুল ইসলাম শিমুল ও তার শাশুড়িকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে আহত করেন দুবৃর্ত্তরা। পাশের জমিতে কাজ করা শ্রমিকরা এগিয়ে এলে হামলাকারীরা পালিয়ে যায়। স্থানীয়দের সহায়তায় বেলা ১২টার দিকে নবাবগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এনে ভর্তি করেন। এঘটনায় সিংগাইর থানায় আহত শিমুলের বাবা বাদি হয়ে একটি মামলা করেন।
মন্তব্য করুন