ঢাকার নবাবগঞ্জে ১৩ বয়সী এক কিশোরীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ আলী আকবর (৬২) নামে একজনকে আটক করেছে পুলিশ। এসময় তবে কৌশলে পালিয়ে গেছে অপর অভিযুক্ত আলমগীর হোসেন (৪০)। শনিবার রাত ৯টায় উপজেলার পানালিয়া গ্রামে এঘটনা ঘটে।
আটককৃত আলী আকবর উপজেলার কলাকোপা ইউনিয়নের পানালিয়া গ্রামের মৃত সামাদ বেপারীর ছেলে। পলাতক আলমগীর হোসেন একই গ্রামের আলী আকমতের ছেলে।
কিশোরীর পরিবার ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, কিশোরীর বাবা দিনমজুরের কাজ করেন। পরিবারের প্রয়োজনে মাকেও থাকতে হয় বাড়ির বাহিরে। ৭ থেকে ৮ মাস আগে আলী আকবর ও আলমগীর মেয়েটিকে বাড়িতে একা পেয়ে দুজন মিলে ভয় দেখিয়ে ধর্ষণ করে। বিষয়টি কাউকে বললে মেরে ফেলা হবে বলে তাকে ভয়ও দেখায়। এভাবে তারা সংঘবদ্ধভাবে কিশোরীটিকে চার মাসে কয়েকবার ধর্ষণ করে। একপর্যায়ে কিশোরী অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়ে। কিশোরীর অসহায় পরিবার বিষয়টি বুঝতে পেরে লোকলজ্জার ভয়ে গর্ভপাত করায়। এ খবর এলাকায় জানাজানি হলে এলাকাবাসী ক্ষিপ্ত হয়ে অভিযুক্ত আলী আকবর ও আলমগীর হোসেনকে আটক করে পুলিশে খবর দেয়। তবে চতুর আলমগীর ঘরের পেছনের জানালা ভেঙে পালিয়ে যায়।
ভুক্তভোগীর বাবা বলেন, আমরা গরিব মানুষ। ইজ্জত আমাদের বড় সম্পদ। লোকলজ্জার ভয়ে শনিবার বিকালে গোপনে মেয়ের গর্ভপাত করিয়েছিলাম। তবে ব্যাপারটি আর গোপন থাকেনি। আমি ওই দুই লম্পটের উপযুক্ত বিচার চাই।’
নবাবগঞ্জ থানার উপপরিদর্শক মো. রাজিবুল ইসলাম বলেন, এক ধর্ষককে আটক করা হয়েছে। আরেকজন পালিয়েছে বলে। আটকের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
এদিকে ধর্ষকদের শাস্তির দাবিতে বরিবার বিকালে বিক্ষোভ মিছিল ও মানববন্ধন করেছে ছাত্র জনতা। বিক্ষোভ মিছিলটি উপজেলার বিভিন্ন সড়ক পদক্ষিণ করে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের সামনে মানববন্ধনে আন্দোলনকারীরা দ্রুত আসামীর শাস্তি নিশ্চিত করার আহবান জানান। সেই সাথে ধর্ষকের পক্ষে কোন আইনজীবি আদালতে দাড়াবে না বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন তারা।
মন্তব্য করুন