ঢাকার নবাবগঞ্জে মাদ্রাসা ও ঈদগাহ কমিটিকে কেন্দ্র করে শোল্লা ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল ইসলাম শিমুল (৪৭) ও তার শাশুড়ি রমেলা বেগম (৬০) কে কুপিয়ে ও পিটিয়ে আহত করেছে দূবৃর্ত্তরা। শনিবার সকাল ৯টার দিকে নবাবগঞ্জ-সিংগাইর উপজেলার সীমান্তবর্তী দক্ষিণ জামসা গাজী চেয়ারম্যানের বাড়ি সংলগ্ন তিন রাস্তা মোড়ে এ ঘটনা ঘটে।
আহত সাইফুল ইসলাম শিমুল উপজেলার শোল্লা ইউনিয়নের দুধঘাটা গ্রামের আব্দুর রাজ্জাক মাষ্টারের ছেলে।
স্থানীয় সূত্র ও ভুক্তভোগী পরিবারের অভিযোগে জানা যায়, দুধঘাটা-জামসা-সুকানিপাড়া মাদ্রাসা ও ঈদগাহ’র কমিটি নিয়ে স্থানীয় আজিজ মাষ্টার, ইউনূস সুকানি, হাতেম আলী, শহীদুল্লাহ কাজীদের সাথে সাইফুল ইসলাম শিমুলসহ এলাকাবাসীর বিরোধ চলছিল। এনিয়ে এলাকায় দুইটি গ্রুপে বিভক্ত হয়ে যায। গত বৃহস্পতিবার স্থানীয় প্রশাসনসহ দুইপক্ষ মাঠে বসা হয় স্থানীয়দের সহায়তায় এক পর্যায়ে বিষয়টি ঈদুল আজহার পর মিমাংসার প্রস্তাবনায় ছিলো। এ সময় কাজী শহিদুল্লাহ বিএনপি নেতা শিমুলকে দেখে নেয়ার হুমকি দেন বলে অভিযোগে বলা হয়।
আহত বিএনপি নেতা শিমুল জানান, আজ সকালে মোটর সাইকেল কওে শাশুড়িকে নিয়ে জামসা বাজারের যাচ্ছিলেন। তিনি দক্ষিণ জামসা গাজী চেয়ারম্যানের বাড়ি সংলগ্ন তিন রাস্তার মোড়ে যাওয়া মাত্র লোহার রড, চাপাতি, হাতুড়ি নিয়ে ৮/১০ জন মোটরসাইকেলের গতিরোধ করেন। পরে আজিজ মাষ্টারের ছেলে সিফাতের নেতৃত্বে তার উপর হামলা চালানো হয়। হামলাকারী সিফাত শিমুলের মাথায় আঘাত করে গাড়ি থেকে ফেলে দেয়। পরে সিফাতসহ অন্যরা এলোপাতাড়ি কুপিয়ে রড ও হাতুড়ি দিয়ে পিটিয়ে আহত করে। এসময় শিমুলের শাশুড়ি জামাইকে বাঁচাতে গেলে তাঁকেও কুপিয়ে আহত করে হামলাকারীরা। পাশের জমিতে কাজ করা শ্রমিকরা এগিয়ে এলে হামলাকারীরা পালিয়ে যায়। স্থানীয়দের সহায়তায় বেলা ১২টার দিকে নবাবগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এনে ভর্তি করেন।
অভিযুক্ত আজিজ মাষ্টার ও কাজী শহীদুল্লাহ বলেন, আমাদের নিয়ে যে অভিযোগ ওঠেছে তা মিথ্যা ও বানোয়াট ভিত্তিহীন। মারামারির বিষয়ে তারা কিছুই জানেন না।
খবর পেয়ে নবাবগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আবুল কালাম খন্দকারসহ নেতাকর্মীরা হাসপাতালে ছুটে আসেন।
নবাবগঞ্জ থানার উপপরিদর্শক রেজাউল করিম খান হাসপাতাল থেকে জানান, খবর পেয়ে হাসপাতালে এসেছি। লিখিত অভিযোগ পেলে সরেজমিনে গিয়ে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।
মন্তব্য করুন