ঢাকার নবাবগঞ্জ উপজেলায় আগামী ৩০ আগস্ট কলাকোপা গ্রামবাসীর উদ্যোগে এবং নৌকা বাইচ ঐতিহ্য রক্ষা জাতীয় কমিটি ও নবাবগঞ্জ রোইং ক্লাবের সহযোগিতায় ইছামতি নদীতে ঐতিহ্যবাহী নৌকা বাইচ অনুষ্ঠিত হবে। বুধবার কলাকোপা স্পোর্টিং ক্লাবে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে কলাকোপা নৌকা বাইচ আয়োজক কমিটির শীর্ষ নেতৃবৃন্দ এ ঘোষণা দেন।
সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য রাখেন বাইচ উদযাপন কমিটির আহ্বায়ক হাজী মো. আলমগীর হোসেন, সদস্য সচিব, মো. নজরুল ইসলাম, নৌকা বাইচ ঐতিহ্য রক্ষা জাতীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক মো. রাশিম মোল্লা, ক্রীড়া সম্পাদক দুলাল দেওয়ান।
এসময় উদযাপন কমিটির আহ্বায়ক হাজী মোহাম্মদ আলমগীর হোসেন ও সদস্য সচিব মো. নজরুল ইসলাম বলেন, দর্শকদের আনন্দ দেওয়ার আগামী ৩০ আগস্ট শনিবার কলাকোপা সহ কয়েকটি গ্রামবাসীর উদ্যোগে ইছামতি নদীতে নৌকা বাইচ আয়োজন করেছি। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন বিএনপি ঢাকা জেলার সভাপতি ও ঢাকা ১ আসনের এমপি পদপ্রার্থী খন্দকার আবু আশফাক।
তারা বলেন, আমরা সকল নৌকার মালিক ও দর্শকদের বাইচে অংশগ্রহণ করার জন্য আহ্বান জানাচ্ছি। বাইচে আগত দর্শকদের ইঞ্জিন চালিত ট্রলার, বোট ও স্পিডবোর্ড বাইচ চলাকালীন সময়ে নদীর পাশের নোঙ্গর করে বাইচ দেখার জন্য বিনীতভাবে অনুরোধ করছি।
নৌকা বাইচ ঐতিহ্য রক্ষা জাতীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক রাশিম মোল্লা বলেন, নৌকা বাইচ বাংলার হাজার বছরের ঐতিহ্য। এর মধ্যে ঢাকা বিভাগের নবাবগঞ্জে নৌকা বাইচে গোড়াপত্তন হয়েছে। এক সময় এই উপজেলার ইছামতি নদীর ৩০ পয়েন্টে নৌকা বাইচ হত। কিন্তু বর্তমানে ইছামতি নদীর উৎপত্তিস্থল পদ্মা নদীর নিকটস্থ কাশিয়াখালি বেরিবাধ দেওয়ার কারণে নদীতে পর্যাপ্ত পরিমাণ পানি থাকছে না। আমরা ইাছামতী নদী আগের রূপে ফিরিয়ে আনতে দোহারের কার্তিকপুর ও সোনাবাজু -কাঠিয়াখালী বেরিবাধে প্রযোজনীয় সংখ্যক স্লুইচগেট স্থাপনের জোর দাবি করছি।
রাশিম মোল্লা আরো বলেন, একটি বাইচ সুন্দর ও সুশৃঙ্খল করার জন্য বাইচে আগত দর্শক, নৌকার মালিক-মাঝি –মাল্লা ও আয়োজকদেরকে দায়িত্বশীল ও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে হয়। আমরা বাইচের দিন এই তিন পক্ষেরই ভূমিকা দেখতে চাই।
এসময় উপস্থিত ছিলেন আয়োজক কমিটির মাহবুব আলী দেওয়ান অপু, বাবুল হোসেন বুলু, শাহ আলম রানা, উপজেলা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক সুমন খান , মুজাহিদুল ইসলাম সিয়াম প্রমুখ।
মন্তব্য করুন