1. news@priyobanglanews24.com : PRIYOBANGLANEWS24 :
দর্জিপাড়ায় ঈদের ব্যস্ততা • PRIYOBANGLANEWS24
রবিবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২২, ০৭:১২ পূর্বাহ্ন

দর্জিপাড়ায় ঈদের ব্যস্ততা

শামীম হোসেন সামন.
  • আপডেটের সময় : মঙ্গলবার, ২৬ এপ্রিল, ২০২২
  • ১৫৫ বার দেখা হয়েছে।

ঈদুল ফিতরকে সামনে রেখে ব্যস্ত সময় পার করছেন নবাবগঞ্জের দর্জি কারিগর ও মালিকরা। রমজানের ঈদ কড়া নাড়ছে দরজায়। তাই দর্জিপাড়ায় নতুন কেনা পোশাক ফিটিং এবং তৈরিতে ব্যস্ত সময় পার করছে কারিগররা।

সেলাই মেশিনের একটানা খটখট আওয়াজ চলছে। এর মধ্যেই নেওয়া হচ্ছে নতুন পোশাকের অর্ডার। একই সঙ্গে চলছে মাপ অনুযায়ী কাপড় কাটার কাজও। ঢাকার নবাবগঞ্জ উপজেলার বিভিন্ন বাজার এর বেশ কয়েকটি দর্জির দোকানে ঘুরে এমন ব্যস্ততা ও ক্রেতাদের ভীড় দেখা গেছে। কিছু দর্জি বলছে, ১৫ দিন আগে থেকেই পোষাক তৈরির অর্ডার আর নিচ্ছি না। কারণ কারিগড়রা আর কত পোষাক তৈরি করবে।

নবাবগঞ্জ উপজেলার বারুয়াখালী, শিকারীপাড়া, বান্দুরা এলাকায় ঘুরে দেখা যায়, গ্রাহকের পছন্দের সঙ্গে তাল মেলাতে ব্যস্ত পোষাক কারিগররা। সময় আর আধুনিকতা এসবের সাথে তাল মিলিয়েই নিত্য নতুন পোষাক তৈরিতেই এখন তাদের মনোযোগ। কখনও সালোয়ার কামিজ বা কখনো পাঞ্জাবি তৈরিতে মেশিনে অবিরত চলছে খরখর শব্দে। দর্জিপাড়ার কর্মব্যস্ত নারী-পুরুষ কর্মীরা। জমছে নতুন নতুন পোশাকের সারি। গেল দুই বছর করোনার ক্ষতি পুষিয়ে নিতে আর গ্রাহকের হাতে সময়মত তাদের প্রিয় পোশাক তুলে দিতে ব্যস্ত দর্জি-কারিগররা।

ক্রেতারা জানান, আর অল্প কয়েকদিন পরেই ঈদুল ফিতর। হাতে আর তেমন সময় নেই। যারা তৈরি পোশাক (রেডিমেড) পড়তে পছন্দ করেন না বা নিজের পছন্দমতো মাপে ও ডিজাইনে পড়তে অভ্যস্ত, তারা এখন ভিড় করছেন দর্জির দোকানগুলোতে।
দর্জির দোকানিরা জানান, এখন ব্যস্ততা একটু বেশিই। তবে এ ব্যস্ততা শুরু হয়েছে রমজান মাস শুরুর পর থেকেই। শুরুতে সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত কাজ করতে হতো, আর এখন সকাল থেকে গভীর রাত অবধি কাজ করতে হচ্ছে। তারা আরও জানান, পরিশ্রম একটু বেশি হচ্ছে, তবুও তারা খুশি। কারণ, ঈদের মৌসুমে বাড়তি কাজের অর্ডার হয়। এতে বাড়তি আয়ও করা যায়।

বারুয়াখালী বাজারের স্নেহা টেইলার্সের কারিগর হেমন্ত চক্রবর্তী জানান, গত দুই বছর করোনার কারণে ঈদে মার্কেট এতো জমজমাট ছিলো না। তাই আমাদের ব্যস্ততা ছিল না। দুইবছর পর ঈদে এবার মানুষ অনেক কাপড় তৈরি করতে দিচ্ছে। আশা করছি এবার ঈদ আমাদের ভালোই কাটবে।

একই প্রতিষ্ঠানের শ্রীকান্ত চক্রবর্তী জানান, গত দুই বছরের তুলনায় এবার অর্ডার ভাল পাচ্ছি। কাজের চাপে ১৫ দিন আগে থেকেই অর্ডার নেওয়া বন্ধ করে দিয়েছি। প্রতিদিন ১০ থেকে ১২টি কাপড় সেলাই করছি। দিনে স্বাভাবিক সময়ের তুলনায় বেশি সময় ধরে কাজ করতে হচ্ছে। প্রতিদিন ১০০০ থেকে ১২০০ টাকা মজুরি পাচ্ছি।

এখান থেকে আপনার সোস্যাল নেটওয়ার্কে শেয়ার করুন

Leave a Reply

ক্যাটাগরির আরো খবর
© এই ওয়েবসাইটি প্রিয়বাংলা২৪নিউজ.কম দ্বারা সংরক্ষিত।
পিবি লিংক এর একটি অঙ্গ প্রতিষ্ঠান