1. news@priyobanglanews24.com : PRIYOBANGLANEWS24 :
শুক্রবার, ০৩ ডিসেম্বর ২০২১, ১০:৫৭ পূর্বাহ্ন

পাকিস্তানের কাছে পাত্তাই পেল না ভারত

প্রিয়বাংলা নিউজ২৪
  • আপডেটের সময় : সোমবার, ২৫ অক্টোবর, ২০২১
  • ১৭০ বার দেখা হয়েছে।

ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ মিলে ভারতের সঙ্গে ১২ দেখায় পাকিস্তান এর আগে একটিও জেতেনি। এবার সেই পরিসংখ্যান বদলে ভারতকে হারানোর কীর্তি গড়লেন রিজওয়ান-বাবররা। এবার সেই আক্ষেপ মেটাল তারা। গড়ে ফেলেছে নতুন ইতিহাস। বিরাট কোহলির দলকে কোনোরকম সুযোগ না দিয়েই দশ উইকেটের ব্যবধানে হারিয়েছে বাবর আজমের পাকিস্তান।

রোববার দুবাইতে অনুষ্ঠিত ম্যাচে টস হেরে ব্যাট করতে নেমে নির্ধারিত ২০ ওভারে ১৫১ রান গড়ে ভারত। জবাব দিতে নেমে ১৭.৫ ওভারে জয় তুলে নেয় পাকিস্তান।

জয়ের জন্য পাকিস্তানের সামনে বড় লক্ষ্য দিতে পারেনি ভারত। জিততে পাকিস্তানের দরকার ছিল ১৫২ রান। এই রান তাড়া করতে নেমে বেশ সাবধানী শুরু করে পাকিস্তান। সতর্কভাবে শুরু থেকে পাকিস্তানকে এগিয়ে নেন অধিনায়ক বাবর আজম ও মোহাম্মদ রিজওয়ান। কোনো উইকেট না হারিয়েই রিজওয়ানের সঙ্গে ১০৭ বলে ১৫২ রানের জুটি গড়েন বাবর। যে জুটিতে ইতিহাস গড়া জয়ের বন্দরে পৌঁছে যায় পাকিস্তান।

ভারতীয় বোলাররা কোনোভাবেই পরীক্ষায় ফেলতে পারেননি বাবর-রিজওয়ানকে। উল্টো দায়িত্বশীল ব্যাটিংয়ে দলকে বিশাল ব্যবধানের জয় উপহার দেন দুই পাকিস্তানি ওপেনার। দলের জয়ের দিনের অধিনায়ক বাবর ৬৮ রানের চমৎকার ইনিংস খেলেছেন। ৫২ বলে তার ইনিংসটি সাজানো ছিল ছয় বাউন্ডারি ও দুই ছক্কায়। তার সঙ্গে ৫৫ বলে ৭৯ রানের দারুণ ইনিংস খেলেন মোহাম্মদ রিজওয়ান।

দুবাইতে আগে ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই বিপদে পড়ে যায় ভারত। শাহিনের মুখোমুখি হয়ে প্রথম বলেই শূন্য হাতে সাজঘরে ফেরেন রোহিত। সুবিধা করতে পারেননি ইনফর্ম ব্যাটসম্যান লোকেশ রাহুলও। আফ্রিদির দ্বিতীয় শিকার হন ৩ রান করে। সূর্যকুমার যাদব ১১ রান করে আউট হলে দলীয় ৩১ রানে ৩ উইকেট হারিয়ে বিপদে পড়ে ভারত।

সেখান থেকে দলকে টেনে তোলেন অধিনায়ক বিরাট কোহলি ও ঋষভ পান্ত। চতুর্থ উইকেটে দুজন যোগ করেন ৫৩ রান। শাদাব খানের বলে ফিরতি ক্যাচ দিয়ে পান্ত ৩৯ রানে আউট হলে ভাঙে তাদের জুটি। সমান ২টি করে চার-ছক্কায় ৩০ বলের ইনিংসটি সাজান পান্ত।

পরে রবীন্দ্র জাদেজাকে নিয়ে রানের চাকা সচল রাখেন কোহলি। ওয়ানডে স্টাইলে ব্যাট করে ৪৫ বলে ফিফটির স্বাদ পান ভারতীয় অধিনায়ক। সে ইনিংসটি অবশ্য আর বড় করতে পারেননি কোহলি। আফ্রিদির তৃতীয় শিকার হন ৫৭ রানে।

সুবিধা করতে পারেননি জাদেজা, হাসান আলীর দ্বিতীয় শিকার হন ১৩ রান করে। পরে হার্দিক পান্ডিয়া ১১ রান করে ফিরলে নির্ধারিত ২০ ওভার শেষে ৭ উইকেট হারিয়ে ১৫১ রানের পুঁজি পায় ভারত। ইতিহাস গড়তে পাকিস্তানের প্রয়োজন পড়ে ১৫২ রান।

শাহিন হেনেছেন প্রথম আঘাত, ইমাদ ওয়াসিম এসে কিপটে বোলিংয়ে বাড়িয়েছেন চাপ। শুরুর দশ ওভারে হাসান আলি এসে করে গেলেন দারুণ একটা ওভার, যা ভারতকে করে দিল আরেকটু নড়বড়ে। এরপর বাঁহাতি চলে আসায় ম্যাচ আপে এলেন মোহাম্মদ হাফিজ, করলেন দারুণ মিতব্যয়ী বোলিং। পাকিস্তান যা চাইতে পারতো, তার সবকটাই হয়েছে প্রথমার্ধে, এবার ছিল ব্যাটারদের পালা।

‘ব্যাটারদের’ শব্দটাও ঠিক যাচ্ছে না এখানে। বাবর আজম, আর মোহাম্মদ রিজওয়ান মিলেই যে করে দিয়েছেন কাজটা! ভুবনেশ্বর কুমার, মোহাম্মদ শামি, যশপ্রীত বুমরাহদের মতো সময়ের সেরাদের শাসিয়েছেন একেবারে শুরু থেকে। উড়ন্ত সূচনার পর সে সুতোয় ঢিল পড়তে দেননি একটুও। তাতেই ধরা দিল অবিস্মরণীয় এ জয়।

এখান থেকে আপনার সোস্যাল নেটওয়ার্কে শেয়ার করুন

Leave a Reply

ক্যাটাগরির আরো খবর
© এই ওয়েবসাইটি প্রিয়বাংলা২৪নিউজ.কম দ্বারা সংরক্ষিত।
পিবি লিংক এর একটি অঙ্গ প্রতিষ্ঠান